০৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাত করায় ব্যাংক কর্মকর্তার ২৩ বছরের কারাদণ্ড।

  • নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
  • ৪৬০

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে গ্রাহকের জমা টাকা আত্মসাত করায় এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার নাম নূর মোহাম্মদ বাসার সে লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানার চরলরেঞ্চ গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে এবং ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শাখার এসবিআইএস কর্মকর্তা ছিলেন।

 

সোমবার (২১ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ দুদকের একটি পিটিশন মামলায় এ দন্ডাদেশ দেয়।

 

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুদুক নোয়াখালী কার্যালয় থেকে জানায়, ব্যংক কর্মকর্তা বাসার ইসলামী ব্যাংক রায়পুর শাখা থাকাকালীন মিজানুর রহমান সিদ্দিক নামের এক গ্রাহকের কাছ থেকে তার লোন হিসেবে নয়টি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিবে বলে নগদে গ্রহণ করেন। পরে ওই টাকা ব্যাংকের ভূয়া জমা স্লিপে নিজে স্বাক্ষর কওে আত্মসাত করেন। একপর্যায়ে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলটি তদন্ত করেন দুর্নীতি দমন কমিশন নোয়াখালীর সাবেক উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন দুদকের পিপি আবুল কাশেম। পিপি আবুল কাশেম বলেন, আসামির উপস্থিতিতে শুনানি শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারায় তাকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড ও ২২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাত করায় ব্যাংক কর্মকর্তার ২৩ বছরের কারাদণ্ড।

আপডেট: ০২:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে গ্রাহকের জমা টাকা আত্মসাত করায় এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ২২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার নাম নূর মোহাম্মদ বাসার সে লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর থানার চরলরেঞ্চ গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে এবং ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শাখার এসবিআইএস কর্মকর্তা ছিলেন।

 

সোমবার (২১ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ দুদকের একটি পিটিশন মামলায় এ দন্ডাদেশ দেয়।

 

 

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুদুক নোয়াখালী কার্যালয় থেকে জানায়, ব্যংক কর্মকর্তা বাসার ইসলামী ব্যাংক রায়পুর শাখা থাকাকালীন মিজানুর রহমান সিদ্দিক নামের এক গ্রাহকের কাছ থেকে তার লোন হিসেবে নয়টি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিবে বলে নগদে গ্রহণ করেন। পরে ওই টাকা ব্যাংকের ভূয়া জমা স্লিপে নিজে স্বাক্ষর কওে আত্মসাত করেন। একপর্যায়ে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলটি তদন্ত করেন দুর্নীতি দমন কমিশন নোয়াখালীর সাবেক উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন দুদকের পিপি আবুল কাশেম। পিপি আবুল কাশেম বলেন, আসামির উপস্থিতিতে শুনানি শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারায় তাকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড ও ২২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।